২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ২০৩০ বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। আসরটি অনুষ্ঠিত হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে।

২০৩০ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফাইনাল কোন দেশ আয়োজন করবে—বার্নাবেউ স্টেডিয়ামের দেশ স্পেন, নাকি কাসাব্লাঙ্কার হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়ামের দেশ মরক্কো? এ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে স্পেনের মুন্দো দেপোর্তিভো।
ফাইনালের আয়োজক নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফিফাকে। আগামী বছরের মার্চে ৭৭তম ফিফা কংগ্রেস চলাকালে নির্ধারিত সভাপতি নির্বাচন এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ১১ বছর ফিফার দায়িত্ব সামলানো বর্তমান সভাপতি ইনফান্তিনো আবারও পদটির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা ঘোষণা করেছেন।
স্পেন ও মরক্কো যে ২টি কনফেডারেশনের ওপর নির্ভর করছে—উয়েফা ও সিএএফ—এই কংগ্রেসে তাদেরই সদস্যসংখ্যা সর্বাধিক। সিএএফের ৫৪টি সদস্যদেশ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে মরক্কো সবচেয়ে বড় সদস্য। কনফেডারেশনটির ধারণা, ২০২৬ বিশ্বকাপে মিসর ও আর্জেন্টিনার ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে তাদের প্রতি গুরুতর অবিচার হয়েছে। এতে ইনফান্তিনোর প্রতি সিএএফের সমর্থন দুর্বল হতে পারে।
উয়েফার ফিফায় ৫৫টি আসন রয়েছে এবং ইনফান্তিনোর সঙ্গে সভাপতি চেফেরিনের বিরোধ সবারই জানা। তাই ইউরোপের সমর্থন পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চেফেরিনের স্বদেশি স্লোভেনিয়ান রেফারি ভিনচিচকে বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া ইতিমধ্যেই এই অবস্থানের স্পষ্ট ইঙ্গিত। নির্বাচনী লড়াইয়ে ইনফান্তিনোর উয়েফাকে প্রয়োজন, আর স্পেন উয়েফার সদস্য।
উয়েফা ও সিএএফ মিলিয়ে কংগ্রেসের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি রয়েছে। বাকি আসনগুলো কনকাকাফের ৪১ সদস্যদেশ, এএফসির ৪৭ সদস্যদেশ, কনমেবলের ১০ সদস্যদেশ এবং ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশনের ১১ সদস্যদেশের মধ্যে বিভক্ত। ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচিত হতে চাইলে নিজের মেয়াদকালেই তাঁকে এসব সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
